সরকারি কর্মচারী

মাইন উদ্দিন

জানুয়ারি ১০ তারিখ থেকে উপজেলায় কাজ করছি। ১ টি ২ টি নয় ৩ টি উপজেলার অফিসার হিসেবে দায়িত্ব। কবির হাট,সুবর্নচর, হাতিয়া। তন্মধ্যে কবির হাট ‘রেড জোন’। ইদানিং ‘সুবর্নচর’ চলে যাচ্ছে পেন্ডামিকের লাল তালিকায়। মোবাইল কোর্ট, জি আর, জি ইইই, সহ নিজের অফিস সামলানোর জন্য ছুটতে হচ্ছে দিক বিদিক। কিসের নিরাপত্তা, কিসের সেফটি! সামান্য কাশি হলে লোকে বলে গায়ে কি জ্বর আছে? সামান্য ব্যাথা হলে জিজ্ঞাসিত হই গলায় কি কাটা কাটা লাগে? এ এক ধুম্রজালে বসবাস আমাদের। মনের মধ্যে সব সময় জল্পনা আর কল্পনায় বসবাস। প্রত্যেক অফিসার ভুগছেন একি চিন্তায়। প্রকৃতি এমন করে ফেলছে আমাদের। আসলে পেন্ডামিক যে আমাদের ফোবিয়ায় রূপ নিচ্ছে। তবুও থেমে নেয় ছুটে চলা। সরকারি চাকরি যারা করে তাদের নাকি সুখ আর সুখ। আরাম আর আরাম। আহা! আরাম। বৌ কে কোয়ার্টার এ রেখে যখন বাইর থেকে আসি তখন দুর থেকে বলতে হয়,সরে যাও, আগে ওয়াশ রুমটায় যায়। এ এক অজানা ভয়। কারণ মানুষের সাথে চলা, মানুষের জন্য চলা, মানুষের সাথে মিশবো বলে দায়িত্ব নিয়েছি।

রক্ষাকারী বিধাতা, রক্ষা করো মোদের। ভালো রেখো। বাঁচিয়ে রেখো।
তোমার নিকট এ ফরিয়াদ 🙏

#কোভিড-১৯ ফ্যাক্ট।
#দায়িত্ব ফ্যাক্টর। 😐

লেখক:  প্রোগ্রাম অফিসার, উপজেলা পরিষদ, সুবর্ণচর, নোয়াখালী।

Updated: June 16, 2020 — 5:55 am

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *