স্পেশাল ইকোনমিক জোন হবে সুবর্ণচরে : এমপি একরাম

জি এম সিরাজ উদ দৌলা।। নোয়াাখালী

গত দুইদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক জুড়ে ইকোনমিক জোন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সুবর্ণচরের ইকোনমিক জোন অনুমোদন না হওয়ায় হতাশায় ভেঙে পড়েন সুবর্ণচরের লাখো শ্রেণি পেশাজীবী মানুষ। কেউ কেউ ফেইসবুকে আমের আঁটি, চিল্লা কলা, মূলা ইত্যাদি প্রতীকি ব্যবহার করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এবং স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধির সমালোচনাও করেছেন।

অবশেষে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে নোয়াখালী-৪ আসনের সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী ফেইসবুক লাইভে এসে বলেন, ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের মতো যারা ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার পায়ঁতারা করছেন তারা নিজেদের ক্ষতি করছেন এবং পাশাপাশি নিজের এলাকার উন্নয়নে বাধাগ্রস্থ করছেন। এ সরকারের আমলে বিগত ১০-১২ বছরে সুবর্ণচরে যে উন্নয়ন হয়েছে তা সুবর্ণচরের জন্মগতভাবেও হয়নি।

কোম্পানীগঞ্জের পাশাপাশি সুবর্ণচরেও ২ হাজার ৭শ’৪১ একর নিয়ে স্পেশাল ইকোনমিক জোন হবে।

এছাড়া তিনি আরো বলেন, মৎস্য খামারিদের কারণেই ইকোনমিক জোন বাধাগ্রস্থ হয়েছে। তাঁরা আদালতে মামলা করে রেখেছে। এখন ইকোনমিক জোনের জন্য নির্ধারিত স্থান খামারিদের দখলে। সরকারের খাস জমি দখল করে তাঁরা মৎস্য খামার গড়ে তুলেছে। কিন্তু সব বাঁধা ফেরিয়ে আমরা অচিরেই এর কার্য়ক্রম শুরু করবো।

সুবর্ণচরের আগামী ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক আশার বানীও বলেছেন সাংসদ। তিনি বলেন, সুবর্ণচরে খুব শীঘ্রই উন্নতমানের প্রজেক্ট হবে। যেখানে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। ইতোমধ্যে চায়না প্রতিনিধি দল সুবর্ণচরের মোহাম্মদপুরে ভিজিট করে গেছে। তারা এগ্রো প্রজেক্ট করতে চায়। এখান থেকেই উৎপাদিত পণ্যদেশের বাহিরে রপ্তানি করতে পারবো আমরা। তাছাড়া সুবর্ণচরে যে লেক আছে সেখানে বিদ্যুৎ প্রবাহ কেন্দ্র করার ইচ্ছে পোষণ করেছে চায়না প্রতিনিধি দল। তাঁরা আগামী ২৮ আগস্ট সুবর্ণচরে আসবে বলে জানিয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে এমপি একরামুল করিম চৌধুরী বলেন, সুবর্ণচরে ইকোনমিক জোন হবে আপনারা নিশ্চিন্তে থাকুন। আপনাদের নেতা যা বলেন তা করেন। এ নিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার কোন দরকার নেই। আর কেউ ফেইসবুকে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবেন না। উসকানিমূলক তথ্য প্রদান করে গুজব রটাবেন না।

সবশেষে এমপি একরামুল করিম চৌধুরী স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ঘর থেকে বের হওয়ার পরামর্শ দিলেন। দেশে করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক টিকা না আসা পর্য়ন্ত সকলেই মাস্ক ব্যবহার করে করোনামুক্ত দেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *